গ্রেফতাররা হলেন, গাজীপুর জেলার বসুগাঁও গ্রামের আবুল কাশেম সরকারের ছেলে রেজাউল সরকার ও রেজাউল সরকারের স্ত্রী রোহিঙ্গা নারী মুন্নি।
জানা যায়, ইয়াবা ব্যবসা করতে গিয়ে সাত বছর আগে রোহিঙ্গা মুন্নির সঙ্গে পরিচয় হয় পূবাইলের রেজাউল সরকারের। ওই সুবাদেই তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে রেজাউলের শ্যালিকা ছমিরা বেগম ইয়াবার বড় বড় চালানের বেশিরভাগ গাজীপুর এলাকায় বিক্রির জন্য দুলাভাইকে সরবরাহ করতেন। সেই সুবাদে পূবাইলের বসুগাঁও এলাকাকে ইয়াবা ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করতে থাকে ওই দম্পতি। টেকনাফ থেকে ইয়াবা চালান শ্যালিকা ছমিরা বেগম নিয়া আসতেন ঢাকাসহ গাজীপুর মহানগরীর পূবাইলে। হোম ডেলিভারি দিতেন দুলাভাই রেজাউল।
.png)
এদিকে, প্রায় ২ বছর আগে শ্যালিকা-দুলাভাই ৩ হাজার ৮৪০ ইয়াবাসহ পূবাইল থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়। জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো ইয়াবা ব্যবসা চালাতে গিয়ে পুলিশের জালে আটকা পড়ে স্বামী-স্ত্রী।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের পূবাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুর রহমান জানান, মুন্নি ও তার স্বামী বিভিন্ন মাধ্যমে টেকনাফ থেকে ইয়াবাসংগ্রহ করে গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা বিক্রি করে আসছে। এমন খবরে পূবাইলের বসুগাঁও এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করে পূবাইল থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৫০ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। রেজাউলের শ্যালিকা ছমিরাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।