মঙ্গলবার বিকেলে জালালাবাদ থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে সকালে ভুক্তভোগী থানায় গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সিলেট সদর উপজেলার নাজিরেরগাঁও এলাকার ভাড়াটিয়া ও সুনামগঞ্জ জেলার বাসিন্দা জুবায়ের হোসেন (২৮), তার স্ত্রী জুলেখা ওরফে জুলি (১৯) ও নাজিরেরগাঁও এলাকার বাসিন্দা জয়নাল মিয়া (৪০)।
.png)
ভুক্তভোগীর অভিযোগের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ১৯ আগস্ট রাত ৯টা থেকে ২১ আগস্ট দিবাগত রাত ৩টা পর্যন্ত ওই তরুণীকে সিলেটের জালালাবাদ থানা এলাকার নাজিরেরগাঁও ও বাদাঘাট এলাকায় আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়। ২১ আগস্ট রাতে কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যান ওই তরুণী। তিনি ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে মঙ্গলবার জালালাবাদ থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। অভিযোগের পর ওই তরুণীকে চিকিৎসার জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান–স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়।
পুলিশ জানায়, ওই তরুণীর দায়ের করা অভিযোগে গ্রেফতার তিনজনসহ আরো একজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরো চারজনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) বি এম আশরাফ উল্যাহ বলেন, গ্রেফতার আসামিদের আদালতে পাঠানো হবে। পাশাপাশি ধর্ষণের ঘটনায় সহযোগিতা করা অন্যদেরও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।