বুধবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই উপজেলার সোনারায় মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ঠান্ডা ওই গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তার বড় ভাই ৫৫ বছরের নুরু মিয়াও একই গ্রামের বাসিন্দা। তারা আপন ভাই।
.png)
নিহতের পরিবারের বরাত দিয়ে গাবতলী মডেল থানার এসআই আল আমিন জানান, মঙ্গলবার রাতে নুরু নিজ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কলহে লিপ্ত হন। ওই সময় নুরু ও তার স্ত্রী মাজেদা বেগম তাদের পুত্রবধূকে গালিগালাজ করছিলেন। সেখানে তাদের ছেলে শাহ আলমও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বাজার থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন ঠান্ডা মিয়া। পরে বিষয়টি সুরাহা করার জন্য বড় ভাই নুরুর বাড়িতে গিয়ে তাদের ঝগড়া থামাতে বলেন। একপর্যায়ে নুরু ও ঠান্ডার বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। তখনই নুরু ও তার ছেলে শাহ আলম ক্ষিপ্ত হয়ে ঠান্ডাকে ধাক্কা ও কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। এতে ঠান্ডা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ঠান্ডা।
তিনি আরো জানান,পরে তাকে উদ্ধার করে ঘরে নিয়ে যান স্বজনরা। এরই একপর্যায়ে মারা যান ঠান্ডা। খবর পেয়ে রাতেই তার লাশ হেফাজতে নেয়া হয়।
গাবতলী মডেল থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ঠান্ডার লাশ শজিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় এখনো মামলা হয়নি।