বৃহস্পতিবার দুপুরে দিনাজপুর বীরগঞ্জ থানায় প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. খোদাদাদ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরো বলেন, গত ২৩ আগস্ট বিভিন্ন ডিভাইস ব্যবহার করে খানসামার পাকেরহাট এলাকা থেকে দুই যুবককে গ্রেফতার করা হয়। তাদের আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদে তারা সরাসরি ঐ খুনের সঙ্গে জড়িত বলে স্বীকার করে।
.png)
গ্রেফতারকৃত দুই যুবকের বরাত দিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরো বলেন, অটোচালক অবিনাশকে হত্যার পরিকল্পনা অনেকদিন ধরেই দিয়েছে শিশির ও রাশেদ। পরিকল্পনা অনুযায়ী ভিকটিম অবিনাশ রায় গত ১০ আগস্ট সকালে গ্রেফতারকৃত যুবক শিশির ভিকটিম অবিনাশের অটোরিকশা ভাড়া নিয়ে নীলফামারীর বরুয়া থেকে খানসামার পাকের হাট আসে, পরিকল্পনা অনুযায়ী অপর যুবক রাশেদকে পাকেরহাট থেকে অটোরিকশায় উঠিয়ে নেয়।
এরপর তারা অটোরিকশা যোগে তিনজন বীরগঞ্জ সিংড়া জাতীয় উদ্যানে যায়। সেখানে উদ্যানের ভেতরের রাস্তায় অটো রেখে জঙ্গলের গভীরে গিয়ে পরিকল্পনা অনুযায়ী অবিনাশের গলায় রশি পেচিয়ে চাকু দিয়ে গলায় আঘাত করে হত্যা করে। লাশ জঙ্গলে ফেলে অটো নিয়ে চিরিরবন্দরের রানিরবন্দর গিয়ে বিক্রি করে। তাদের তথ্য অনুযায়ী রানিরবন্দর থেকে অটোটি উদ্ধার করা হয়। শিশির ও রাশেদ হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবাববন্দি দিয়েছেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
গত ১৫ই আগস্ট উপজেলার সিংড়া জাতীয় উদ্যান লাশ উদ্ধার পর বিকলে ভিকটিমের পরিবার এসে পরিধেয় বস্ত্র দেখে লাশ তার ছোট ভাই অবিনাশ রায়ের লাশ বলে শনাক্ত করেন।