রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাবনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. টুটুল চর পাইকারহাটি গ্রামের আতাহার মুল্লিক ছেলে। রায়ের সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়। নিহত আলেয়া খাতুন একই গ্রামের আরদোশ মুল্লিকের স্ত্রী।
জানা যায়, বাড়ির পাশে লাকড়ি কুড়ানো ও জমি দেখতে যান আলেয়া। এ সময় টুটুল তাকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে। কিন্তু ব্যর্থ হয়ে তাকে শাড়ি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে মরদেহ ধান ক্ষেতে লুকিয়ে রাখেন। এদিন রাত ৩টার দিকে মরদেহ ধান ক্ষেতের আরো দূরে লুকিয়ে রাখেন। এ ঘটনার ছয় দিন পর সন্দেহজনকভাবে টুটুলকে আটক করলে হত্যার কথা শিকার করেন এবং লুকানো মরদেহ বের করে দেন। এ ঘটনায় আলেয়ার মেয়ে সাবানা আক্তার বাদী হয়ে সাঁথিয়া থানায় টুটুলের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজকে রায় ঘোষণা করা হলো।
.png)
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ট্রাইব্রুনালের বিশেষ পিপি খন্দকার আব্দুর রকিব বলেন, এই রায়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি দৃষ্টান্তমূলক রায়। আশা করি আইনি প্রক্রিয়া শেষে খুব দ্রুত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে।
আসামিপক্ষের আইনজীবী চোধুরী রাজিয়া সুলতানা টুলটুলি জানান, আমরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছি। আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবো। আশা করি, আমার মক্কেল সেখানে ন্যায় বিচার পাবেন।