নিহত শাহিদা খাতুন উপজেলার দক্ষিণ কয়ারপাড়ার রবিউল ইসলামের মেয়ে ও কুষ্টিয়া জেলার বেদ্যনাথতলা গ্রামের মৃত নজির মালিথার ছেলে সেলিম উদ্দিনের স্ত্রী। কাজের সূত্রে তারা পৌরসভার ব্রাকপাড়ায় ঘরভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন।
রোববার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে যশোর মর্গে পাঠিয়েছে।
জানা যায়, নিহত শাহিদা ও সেলিম উদ্দীন ওই হিমাগারে আলু বাছাইয়ের কাজ করতেন। সেখানে দুজনের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে তারা দুমাস আগে বিয়ে করেন। এরপর চৌগাছা-যশোর সড়কের কাছে ব্রাকপাড়ার মামুনের বাড়িতে ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন।
.png)
তারা আরো জানান, স্বামী-স্ত্রী দুজন কাজ শেষে শনিবার রাত ১০টার পর বাড়িতে যান। রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পাশের ভাড়াটিয়া সেলিনা বেগম তাদের বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে বিষয়টি তিনি স্থানীয়দের জানান। স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ দেখতে পায়। পরে তারা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর মর্গে পাঠায়।
চৌগাছা থানার এসআই বাচ্চু শেখ জানান, নিহতের গলায় রশির দাগ রয়েছে। তবে রশিটি পাওয়া যায়নি। স্বামীও পলাতক রয়েছেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে রশি দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের পর বিষয়টি জানা যাবে।