রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার মাধবপাশা দুর্গা সাগর দিঘি সংলগ্ন মসজিদ থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। লালচাঁদের বাড়ি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে। তিনি ওই এলাকার মৃত হাসান মোল্লার ছেলে। এর আগে শনিবার বিকেলে গাজীপুরে একটি তালাবদ্ধ ঘর থেকে রিনা খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এদিকে, গ্রেফতারের পর ‘পারিবারিক কলহের জেরে’ এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে পুলিশকে জানিয়েছেন লালচাঁদ।
.png)
সিআইডির বরিশাল জেলা ও মেট্রো শাখার এসআই আবুল কালাম জানান, গ্রেফতার লালচাঁদ গাজীপুর নগরীর কোনাবাড়ীর বাইমাইল এলাকায় ভাড়া বাসায় স্ত্রী রিনাকে নিয়ে বসবাস করছিলেন। সেই বাসা থেকে শনিবার বিকেলে রিনার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের আগ থেকেই উধাও হন লালচাঁদ।
সিআইডির অভিযানিক দলের সদস্য আকিদুর রহমান জানান, লালচাঁদ এক সময় মাধবপাশা এলাকায় বাদশা সর্দারের গরুর ফার্মে চাকরি করতেন। শনিবার রাতে ফার্মের পাশের একটি ঘরে আসেন তিনি। রাতে ওই ঘরেই ছিলেন তিনি। রোববার দুর্গা সাগর সংলগ্ন একটি মসজিদে মাগরিবের নামাজ শেষে ইমামের কাছে গিয়ে বিপদ-আপদ থেকে রক্ষার তাবিজ ও দোয়া চান। এ সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে সিআইডির এলআইসি শাখা তথ্য-প্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান নিশ্চিত হয়। পরে তাকে গ্রেফতারের জন্য সিআইডির বরিশাল মেট্রো ও জেলা শাখাকে দায়িত্ব দেয়। দায়িত্ব পেয়ে পরিদর্শক নুরুল আলম তালুকদারের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অভিযানিক দলের সদস্যরা লালচাঁদের বরাত দিয়ে জানান, শনিবার স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে স্ত্রী রিনাকে লাথি দিয়ে ঘরের দরজার বাইরে থেকে ছিটকানি আটকে বের হয়ে যান লালচাঁদ। কিছুক্ষণ পর ঘরে ফিরে দেখতে পান স্ত্রীর মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়ে পড়ে আছে। রিনা মারা গেছেন বুঝতে পেরে বরিশাল পালিয়ে যান লালচাঁদ।