অধ্যক্ষকে কুপিয়ে হত্যা, ১১ বছর পর দুইজনের মৃত্যুদণ্ড
টাঙ্গাইলের সখীপুরে অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু হত্যা মামলায় দুইজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার বেলা ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বেগম শাহানা হক সিদ্দিকা এ রায় দেন। এ হত্যা মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে খালাস দিয়েছে আদালত। রায় ঘোষণার সময় মিন্টু আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং পলাতক রয়েছেন শুকুর।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সখীপুর উপজেলার ফুলবাগ গোবরচাকা গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে মিনহাজুর রহমান মিন্টু ও একই গ্রামের সুজত আলীর ছেলে আব্দুল মালেক শুকুর। খালাসপ্রাপ্তরা- হলেন শমশের আলী, মোহাম্মদ মাসুদ এবং মোহাম্মদ নান্নু মিয়া।
.png)
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন সিকদার জানান, ২০১১ সালের ২০ অক্টোবর দুপুরে অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু সখীপুরের পলাশতলী মহাবিদ্যালয় থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। ওই সময় বৈল্লারপুর এলাকায় পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে মিনহাজুর রহমান মিন্টুর নেতৃত্বে জামাল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওই দিন থানায় হত্যা মামলা করেন জামাল হোসেনের স্ত্রী পারভীন বেগম।
তিনি আরো বলেন, ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই আইয়ুব আলী পাঁচজনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিচারক সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে দুইজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এ এছাড়া অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে বেকসুর খালাস দেন বিচারক।