বৃহস্পতিবার কিশোরগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. হাবিবুল্লাহ এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিতরা হলেন- নিহত হেনা আক্তারের স্বামী ৩২ বছর বয়সী খোকন মিয়া, খোকনের বোন ৩৪ বছরের জরিনা খাতুন ও মামাতো ভাই ৩৮ বছরের জালাল মিয়া। এর মধ্যে খোকনকে ৫০ হাজার, জালালকে ৩০ হাজার ও জরিনাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
.png)
খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- খোকনের বাবা ৫৮ বছরের ইমান আলী, মা ৫৫ বছরের কমলা খাতুন ও ৩৪ বছরের ভাই সাইদুর রহমান।
নিহত হেনা আক্তার করিমগঞ্জ উপজেলার কৈলাকুড়ি গ্রামের আব্দুল কদ্দুসের মেয়ে। তার স্বামীর বাড়ি একই উপজেলার গুজাদিয়া পাথারিয়াপাড়া গ্রামে।
মামলার বিবরণ দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি এম এ আফজল জানান, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের জন্য হেনাকে নির্যাতন শুরু করেন খোকন ও তার পরিবারের লোকজন। একপর্যায়ে খোকনকে ৪০ হাজার টাকা, গাভী ও নতুন ঘর বানিয়ে দেন হেনার বাবা। এরপর আরো এক লাখ টাকা দাবি করেন খোকন। এ নিয়ে কলহের জেরে ২০১৫ সালের ৪ অক্টোবর গভীর রাতে খোকন ও তার স্বজনরা হেনাকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করেন।
এ ঘটনায় পরদিন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে আটজনের বিরুদ্ধে করিমগঞ্জ থানায় মামলা করেন হেনার ছোট ভাই মো. সাইকুল ইসলাম। দীর্ঘ শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার এ রায় দেয় আদালত।