এদিকে আড়তের একতা মৎস্য ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী মেরাজ হোসেন বাবু ওই দামে ইলিশটি বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
তিনি জানান, ইলিশটির ওজন ছিল ২ কেজি ৫১৬ গ্রাম। রাজশাহীর ইলিশ বাজারে সাধারণত এতো বড় ওজনের ইলিশ আসে না। তবে হঠাৎ এতো বড় ইলিশ দেখে বিক্রি না করে আড়তে সাজিয়ে রাখি। অনেকের নজর কাড়ে ইলিশটি। কিনতেও চায় অনেকে। তবে স্থানীয় এক ক্রেতার পিড়াপিড়িতে আট হাজার টাকায় বিক্রি করেছি।
.png)
মেরাজ হোসেন বাবু আরো জানান, আমাদের কাছে বড় ইলিশ বলতে সাধারণত এক কেজি ৮০০ গ্রামের মাছ পাওয়া যায়। তবে রাজশাহীর বাজারে আড়াই কেজি ওজনের এমন ইলিশ পাওয়াটা দুর্লভ।
একতা মৎস্য ভান্ডারে আরেক স্বত্বাধিকারী জানান, স্থানীয় আড়তদাররা একত্রিত হয়ে বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী ও চট্টগ্রামের ইলিশের মোকাম থেকে রাজশাহীতে আনেন। নিউমার্কেটের এ মোকামে গড়ে ৫০ থেকে ৬০ মণ ইলিশ আসে। এরপর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ডাকের (নিলামের) মাধ্যমে আড়তদার বা মাছ ব্যবসায়ীরা বরফ দেওয়া সেই ইলিশ কিনে নেন। যার ভাগ্যে যে বস্তা পড়ে সে সেই বস্তা ভর্তি ইলিশ দোকানে বা আড়তে নিয়ে যান। বস্তা খুলে মাছের আয়তন ভেদে মাছ দিয়ে দোকান সাজানো হয় এবং আয়তনের ভিত্তিতে মাছের দাম নির্ধারণ হয়।
এছাড়া বাজারে ৬০০ থেকে ৮০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৭০০-৯০০ টাকা। এক কেজির বেশি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৩০০-১৫০০ টাকা। আড়তদাররাই বলছেন, এখন পর্যন্ত ইলিশের বাজার চাড়া। এরপরও বিক্রি থেমে নেই, ক্রেতারও কমতি নেই।