রোববার দুপুরে রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত-২ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মুহা. হাসানুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মহব্বত আলী রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার গোপাইল গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে। রায় ঘোষণার সময় মহব্বত আলী আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠায় কোর্ট পুলিশ।
.png)
রায় ঘোষণার পর রাজশাহীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালত-২ এর রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট নাসরিন আখতার মিতা ডেইলি বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ২০১৫ সালের ৪ অক্টোবর বিকেলে মাঠ থেকে বাড়ি ফেরার পথে ১৩ বছরের মানসিক প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে শাড়ি কিনে দেওয়ার কথা বলে পাশের একটি ফল বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করেন মহব্বত আলী। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রতিবেশীরা। এরপর পরিবারের সদস্যরা ধর্ষণের বিষয়টি বুঝতে পেরে প্রতিবেশীদের মাধ্যমে জানতে পারে ওই এলাকার মহব্বত আলীর সঙ্গে তাদের মানসিক প্রতিবন্ধী ওই মেয়েকে দেখা গেছে। এ ঘটনায় মহব্বত আলীকে আসামি করে মোহনপুর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগীর মা।
পুলিশ মহব্বত আলীকে গ্রেফতার করলে তিনি ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। পরে তাকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ। মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রোববার এ রায় ঘোষণা করেন।