আসামিদের অনুপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সকালে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের জজ আবদুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের আবদুল হামিদ সিকদার পাড়ার মৃত মৌলভী নুর আহমদের ছেলে ছালেহ জঙ্গি ছোটন এবং যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আসমাউল হুসনা লিপি তার স্ত্রী।
.png)
কক্সবাজার অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতের অতিরিক্ত সরকারী কৌঁসুলি মোজাফ্ফর আহমদ হেলালী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৬ মে রাত ৯টার দিকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় পেকুয়ার কলেজ শিক্ষক ফরহাদ উদ্দিনকে। তার বাড়ি কক্সবাজারের পেকুয়ার সদর ইউনিয়নের আব্দুল হামিদ সিকদারপাড়ায়। তিনি চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি কলেজের গণিতের শিক্ষক ছিলেন। ফরহাদের বাবা মোহাম্মদ ইউনুছ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক।
কলেজ শিক্ষক এস এম ফরহাদ উদ্দিনকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয়েছিলেন তার বোন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নাফিসা নূর। ঘটনার পর ৮ মে তার বাবা মোহাম্মদ ইউনুছ বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় স্থানীয় ছালেহ জঙ্গি ওরফে ছোটন, তার স্ত্রী আসমাউল হোসনা লিপি, ছালেহের ভাই সিরাজুল মোস্তফা, নুরুল আবছার ও তার স্ত্রী শাহেদা বেগম এবং মেয়ে শিরিন জন্নাত আঁখির বিরুদ্ধে মামলা করেন।
দীর্ঘ তদন্তের পর পেকুয়া থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শহীদ উল্যাহ ছালেহ জঙ্গি ও তার স্ত্রী আসমাউল হোসনা লিপির বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। মামলার বাদী মোহাম্মদ ইউনুছ নারাজি দেন। পরে কক্সবাজার অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত মামলার সব আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে। অবশেষে বৃহস্পতিবার আদালত প্রধান খুনি ছালেহ জঙ্গির মৃত্যুদণ্ড এবং তার স্ত্রীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে।