এর আগে, রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার আতুশাল এলাকার ঢাকা-কিশোরগঞ্জ মহাসড়ক এবং ব্যাংকের এটিএম বুথে ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণকালে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের থেকে ৫৪টি ককটেল, ৪টি রামদা, একটি চাইনিজ কুড়াল, ৩টি চাপাতি, একটি খেলনা পিস্তল ও একটি মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- মো. আবু বক্কর সিদ্দিক (৫৮), মো. আনোয়ার হোসেন বাবুল (৩৫), মো. জব্বার লিটন (৪৮), মো. রবিউল ইসলাম (৪৭), রাশেদুল ইসলাম (৩৬), সজিব খান (৩০), মো. জাকির (২৮), মো. হোসেন মিয়া (৫২), মো. জাকির হোসেন (৩২), মো. রিপন (২৭) ও মো. সবুজ (৩৮)।
.png)
র্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত ১নং আসামি মো. আবু বক্কর সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মনোহরদী, বেলাব ও কটিয়াদি থানায় চারটি মামলা, ২নং আসামি মো. আনোয়ার হোসেন বাবুলের বিরুদ্ধে আড়াইহাজার থানায় ৪টি মামলা, ৫নং আসামি রাশেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে কদমতলী থানায় একটি মামলা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে লে. কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা জানান, গ্রেফতারকৃত আসামিরা সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য। এ সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রটি এর আগেও পরস্পর মিলে পূর্ব-পরিকল্পনামাফিক ঢাকা-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে চলাচলকারী গাড়িসমূহ এবং আশেপাশের বিভিন্ন বাসা ও দোকানে তাদের ডাকাতি কার্যক্রম পরিচালনা করতো। তাদের ডাকাতি কাজের ধরন ছিল ব্যবহৃত মাইক্রোবাস দ্বারা ব্যারিকেড সৃষ্টি করে চলন্ত গাড়ির গতিরোধ করা।
তিনি আরো জানান, দুষ্কৃতকারী এই ডাকাত দলের সদস্যরা ডাকাতি করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় জনসাধারণকে মারধর, ছুরিকাঘাত ও গাড়ি ভাঙচুরসহ গুরুতর জখম এমনকি প্রাণনাশের মতো ঘটনাও ঘটিয়ে থাকেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।