বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।
একই সঙ্গে আরো দুইজনের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদেরকে খালাস প্রদান করা হয়েছে। তারা হলেন- মাসুদ রানা ও মদিনা বেগম। রায় ঘোষণার সময়ে আদালতে সবাই অনুপস্থিত ছিল। ভুক্তভোগী আবু রায়হান ফতুল্লার বক্তাবলী এলাকার সারোয়ার মোল্লার ছেলে।
.png)
এর সত্যতা নিশ্চিত করে আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) রকিব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ফতুল্লার মুসলিমনগর এলাকায় একটি স্পিনিং মিলে চাকরি করতো সারোয়ার মোল্লার স্ত্রী খোরশেদা বেগম। খোরশেদার বড় বোন জাহেদা বেগমও একই কারখানাতে চাকরি করতো। জাহেদার সঙ্গে মোবাইল ফোনে আকাশ ওরফে আসাদুল্লাহ নামের এক যুবকের পরিচয় ঘটে। কয়েক মাস ধরে তাদের মধ্যে মোবাইলে কথাবার্তা হয়। এরই মধ্যে ২০১৩ সালের ২২ নভেম্বর রাতে আকাশ ওরফে আসাদুল্লাহ আসেন খোরশেদার বাড়িতে। এ সময় চুল কাটার কথা বলে আবু রায়হানকে নিয়ে যায় আকাশ ওরফে আসাদুল্লাহ। এর পর আসাদ রায়হানকে নিয়ে আর বাসায় ফিরেনি। সেই সঙ্গে রায়হানের মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এই ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ অপহৃত শিশুকে উদ্ধার করে। আদালত এই মামলায় রায় দিয়েছেন।