আটককৃত হৃদয় উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাসন্ডা গ্রামের অলি আহমেদের ছেলে এবং কামরুল পার্শ্ববর্তী শুভপুর ইউনিয়নের কৈয়ারধারী গ্রামের শামসুল ইসলামের ছেলে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে হৃদয়-কামরুলসহ অজ্ঞাতনামা আরো দুইজনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
.png)
দীর্ঘদিন ধরে হৃদয় ও কামরুল ভুক্তভোগী ছাত্রীকে মাদরাসায় যাতায়াতের পথে ইভটিজিংসহ নানা প্রকার হয়রানি করতো। যার কারণে ঐ ছাত্রীর পড়ালেখা প্রায় বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়। বুধবার বিকেলে পরীক্ষা দিয়ে মায়ের সঙ্গে মাদরাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাসন্ডা রাস্তার মাথা এলাকায় পৌঁছালে হৃদয়-কামরুলসহ আরো কয়েকজন যুবক ছাত্রীকে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যেতে চাইলে ছাত্রী ও তার মায়ের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে হৃদয় ও কামরুলকে আটক করে। এ সময় তাদের সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পরে সংবাদ পেয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই অনুপ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে আটককৃতদের থানায় নিয়ে আসে। বৃহস্পতিবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, বুধবার বিকেলে মাদরাসাছাত্রী অপহরণ চেষ্টার অভিযোগে মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাসন্ডা এলাকা থেকে হৃদয় ও কামরুল নামে দুই যুবককে আটক করা হয়। পরে ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।