চার বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে ধর্ষণ করে আসছিলেন ওই চিকিৎসক। এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত চিকিৎসককে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতার ডা. আর কে এস রয়েল সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও সাইকিয়াট্রি বিভাগের প্রধান। নগরীর কাজলশাহ ল্যাবএইড লি. ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তিনি রোগী দেখেন।
.png)
এর আগে রোববার রাতে নগরীর কাজলশাহ ল্যাবএইড লি. ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযুক্ত চিকিৎসকের চেম্বারে যান ধর্ষিতা। এ সময় তিনি বিয়ের দাবিতে চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। মুহূর্তের মধ্যেই পুরো এলাকায় খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই চিকিৎসককে থানায় নিয়ে আসে।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপ কমিশনার আজবাহার আলী শেখ বলেন, রোববার সন্ধ্যায় ওই তরুণী ওই চিকিৎসকের চেম্বারে গিয়ে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করেন। এ সময় চিৎকার দিয়ে তিনি বলেন, আমাকে এ মুহূর্তে আপনার বিয়ে করতে হবে। আমার গর্ভে আপনার সন্তান।
তিনি আরো জানান, ভুক্তভোগী তরুণী ২০১৮ সাল থেকে সিলেটের এ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে চিকিৎসা নিচ্ছেন। একপর্যায়ে ওই তরুণীর প্রতি তিনি আসক্ত হয়ে পড়েন। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন তরুণী।
সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ওসি মোহাম্মদ আলী মাহমুদ জানান, ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত চিকিৎসককে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। সোমবার বিকেলে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।