সোমবার রাত ৩টার দিকে উপজেলার পারুলিয়া গ্রামে (কুমার বাড়ি) এ ঘটনা ঘটে। পলাশ থানার ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াস বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য কিরণ প্রধান জানান, রাত ৩ টার দিকে ঘরের বেড়া কেটে একজন মুখোধারী ঘরে প্রবেশ করে। এ সময় স্ত্রী গীতা পাল চোর বলে ডাক চিৎকার দিলে তাকে ছোড়া দিয়ে আঘাত করে আহত করা হয়। এ সময় অনিল পাল ঘুম থেকে উঠার চেষ্টা করলে তাকে উপর্যুপরি আঘাত করে রক্তাক্ত করে পালিয়ে যায়। পরে প্রতিবেশীরা ডাক চিৎকার শুনে দৌড়ে এসে ভোরে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এছাড়া স্ত্রী গীতা রানী পালকে ভর্তি করা হলে তাকে চিকিৎসা দেয়া হয়।
.png)
ঘটনার খবর পেয়ে পলাশ থানা পুলিশ, নরসিংদী জেলা পুলিশ ও পিবিআই সদস্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এছাড়া স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম গাজী ও ইউপি সদস্য কিরন আলী প্রধান জেলা হাসপাতালে নিহত ও আহত গীতা পালকে দেখতে যান।
নরসিংদী মডেল থানার এসআই হাসান আল ফারুক নরসিংদী জেলা হাসপাতালে নিহতের সুরত হাল তৈরি করেন। সবশেষে নরসিংদী সদর হাসপাতাল থেকে নিহতের ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের সদস্যদের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পলাশ থানার ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াস জানান, খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে। এঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রী গীতা পালকে পলাশ থানায় আনা হয়েছে।
অনিল পাল বছরের ৬ মাস মাটির তৈরি জিনিসপত্র তৈরি করে নরসিংদীর বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করেন। বাকি ৬ মাস ইজিবাইক চালিয়ে সংসার চালন। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।