বুধবার দুপুরে মনসুরাবাদ নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান নগর ডিবির ডিসি (পশ্চিম) মোহাম্মদ আলী হোসেন।
এর আগে, মঙ্গলবার হালিশহর হাউজিং এস্টেট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
.png)
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- কামাল হোসেন, সোনা মিয়া, মো. কামাল, নুরুল আবছার ও সামসু মাস্টার। এছাড়া নির্বাচন কমিশনের (ইসি) অস্থায়ী পাঁচ কর্মচারী ইয়াসিন আরাফাত, নূরনবী, মিজানুর রহমান, ফরহাদুল ইসলাম ও ইমন দাস।
ডিসি মোহাম্মদ আলী হোসেন বলেন, গোপন সংবাদে মঙ্গলবার হালিশহর হাউজিং এস্টেট উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়। রোহিঙ্গারা জাতীয় পরিচয়পত্র করতে এসেছিলেন সেখানে। গ্রেফতারদের মধ্যে পাঁচজন ইসির অস্থায়ী কর্মচারী ডেটা এন্ট্রি অপারেটর।
ডিসি আরো বলেন, গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানান- সামসু মাস্টার রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা করে নেন। এরপর তিনি দালাল নুরুল আবছারকে দেন। নুরুল আবছার ঢাকায় একটি চক্রের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের জন্মনিবন্ধন করেন। এরপর ওই জন্মনিবন্ধন দিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র করেন। ইসির সার্ভারে জাতীয় পরিচয়পত্রটি দেখা যায়।
এর আগেও কক্সবাজারে জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতির মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন সামসু মাস্টার ও নুরুল আবছার। পরে জামিনে বেরিয়ে আবার এ কাজে জড়িয়ে পড়েন। গ্রেফতার ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এ কাজে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে আদালতে তাদের রিমান্ডের আবেদন করা হবে।