বুধবার দুপুরে পাহাড়ের পাদদেশ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে টেকনাফ মডেল থানায় অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার।
অপহৃত নুর হোসেনের ভাই ছৈয়দ হোসেন বলেন, ২৩ অক্টোবর পাহাড়ের পাদদেশে ধানক্ষেতে হাতি পাহারা দিতে গেলে সেখানে রাত ১টার দিকে ডাকাতের কবলে পড়ে। তখন নুর হোসেন ও তার ভাই ছৈয়দ হোসেন দুইজনকে ডাকাতরা বেঁধে ফেলে। পরে ছৈয়দ হোসেন অসুস্থ বললে তাকে ছেড়ে দিয়ে ডাকাতরা নুর হোসেনকে নিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার কিংবা বাঁচাতে হলে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিতে হবে। তখন ছৈয়দ হোসেন বাড়িতে এসে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিষয়টি জানান।পরে টেকনাফ মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। নিরূপায় হয়ে বুধবার ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে নুর হোসেনকে ফেরত আনেন বলে জানান ভাই ছৈয়দ হোসেন।
.png)
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান বলেন, অধিকাংশ অপহরণের ঘটনা রহস্যজনক। এ ছাড়া বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। সত্যতা পেলেই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এর আগে বিভিন্ন এলাকার ১২ জনকে পাহাড়ি ডাকাতরা আটকে রেখে মুক্তিপণের মাধ্যমে ছেড়ে দেয়। অনেকেই গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ফিরে আসে।