বৃহস্পতিবার দুপুরে নরসিংদী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আল-আমিন। নিহত অহিদুজ্জামান উপজেলার সল্লাবাদ ইউনিয়নের নিলক্ষীয়া গ্রামের বাসিন্দা।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে অহিদুজ্জামানের লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে অহিদুজ্জামানের ঘরের দরজায় রক্তের দাগ পায়। এ ছাড়া আশপাশের আলামত দেখে পুলিশের সন্দেহ হয় খুন ঘরের ভেতরে হয়েছে। পরে পুলিশ অহিদুজ্জামানের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি খুনের কথা স্বীকার করেন।
.png)
জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, তার স্বামী মাদকসেবী। প্রায়ই তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। বুধবার রাতেও ঝগড়া করে অহিদুজ্জামান। একপর্যায়ে অহিদুজ্জামান দা দিয়ে স্ত্রীকে কোপ দিতে এলে দুজনের ধস্তা-ধস্তি হয়। এ সময় আয়েশা তার স্বামীর হাত থেকে দা নিয়ে গলায় কোপ দিলে তার মৃত্যু হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, আয়েশা স্বামীকে হত্যা করে তার লাশ কোলে নিয়ে ঘরের বাইরে উঠানে রেখে আসেন। বিছানায় রক্ত মাখা কাঁথা-কম্বল ও দা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলেন। পরে ঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার করে তার স্বামীকে কে বা কারা হত্যা করেছে বলে প্রতিবেশীদের জানান। এ ঘটনায় বেলাব থানায় হত্যা মামলার পর তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।