বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ছুটে যান। তারা আপাতত সমাধান করলেও হয়নি স্থায়ী সমাধান। ওই মা এখন সবার কাছেই বোঝা হয়েছেন।
ভুক্তভোগী ওই বৃদ্ধার নাম তারাবানু। তিনি নাটোর সদর উপজেলার ছাতনী ইউপির কেশবপুর গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে নাটোর সদর উপজেলার ছাতনী ইউনপির কেশবপুর গ্রামে।
.png)
স্থানীয় ইউপি সদস্য নূরুল ইসলাম বাবু জানান, বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রাস্তায় মাকে ফেলে যায় ছোট ছেলে আজাদ। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি মধ্যরাত অবধি বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। কিন্তু বড় ছেলে মানিক, মেঝ ছেলে হানিফ বা ছোট ছেলে আজাদ কেউই ওই বৃদ্ধাকে খাওয়াতে রাজি হয়নি। পরে বড় ছেলের ঘরের নাতির কাছে ১৫ দিন খাওয়ানোর আহ্বান করে গভীর রাতে বাসায় ফেরানো হয় তাকে।
তিনি জানান, স্বামী মারা যাওয়ার পর থাকা দুই বিঘা সম্পত্তি ওই তিন ছেলেদের রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন ওই বৃদ্ধা। এখন ওই বৃদ্ধাই সবার কাছে যেন বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জ্বল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েও কোনো সমাধান করতে পারেননি।
তিনি দাবি করেন, পুরো ইউপির মধ্যে ওই তিন ভাইয়ের আচরণ সবচেয়ে রুক্ষ। ওই বৃদ্ধার সুষ্ঠু একটি ব্যবস্থার জন্য প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
সদর থানার ওসি নাছিম আহম্মেদ জানান, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। অভিযোগ পেলে ওই ছেলেদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।