স্থানীয়রা জানান, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে উঠায় নানাভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবন যাত্রা।
স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দীন চৌধুরী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতর ও পার্শ্ববর্তী লোকজন ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় জীবন কাটাচ্ছেন। মাদক, সন্ত্রাস, খুন ও অপহরণ এখন নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। স্কুল, মাদরাসায় যাতায়াত বন্ধ করে দিয়েছে অনেক শিক্ষার্থী। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের নিয়ে রয়েছেন চরম উৎকণ্ঠায়।
.png)
মাদক ব্যবসা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ভেতরে ও বাইরে গড়ে উঠেছে অর্ধশতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ। প্রায়ই তুচ্ছ ঘটনায় ঘটছে গোলাগুলি ও খুনাখুনির ঘটনা। ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের হাতে ১৮ মাঝিসহ ১২৩ জন খুন হয়েছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রোহিঙ্গাদের সঙ্গে মিলে মিশে স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এতে করে এলাকায় অপরাধ বেড়েই চলছে।
১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অ্যাডিশনাল ডিআইজি সৈয়দ হারুনর রশীদ জানান, রোহিঙ্গাদের চলাচল আরো নিয়ন্ত্রণে নিতে চায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসন অপরাধ দমনে কঠোর নীতি অনুসরণ করছে। খুন, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অপারেশন অব্যাহত থাকবে।