শনিবার দুপুর আড়াইটা দিকে সদরের নওগাঁ-বগুড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের গোদারপাড়ায় অবরোধ করা হয়। ফলে মহাসড়কের দু’পাশের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে এদিন বিকেল ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
এর আগে, শুক্রবার রাত পৌনে ৯ টার দিকে সদরের গোদারপাড়া এলাকায় ছুরিকাঘাতের শিকার হন রবিন। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নেন। সেখানে শুক্রবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে তার মৃত্যু হয় বলে জানান ছিলিমপুর (মেডিকেল) পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আনিছুর রহমান।
.png)
এসআই আনিছুর রহমান বলেন, শজিমেকের জরুরী বিভাগে কিছুক্ষণ চিকিৎসা নেয়ার পরই রবিনের মৃত্যু হয়।
নিহত রবিন গোদারপাড়া এলাকার নওশাদ আলীর ছেলে। তিনি বগুড়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন বলে জানিয়েছেন বগুড়া উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) সুজন মিঞা।
এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শনিবার নিহতের বাবা নওশাদ আলী বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় মামলা করেছেন। মামলায় তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে জানান সদর থানার ওসি নুরে আলম সিদ্দিকী।
পুলিশ কর্মকর্তা নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, রবিনের লাশ নিয়ে সড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।
তিনি বলেন, রবিনের বাবা পেশায় একজন মুদি দোকানি। অভিযুক্তরা ওই দোকানে গিয়ে বাকিতে পণ্য কিনতে চায়। এছাড়াও বিভিন্ন মদপান করে অভিযুক্তরা রবিনের বাবার দোকানে গিয়ে ঝামেলা করতেন। এসব বিষয়ে রবিন প্রতিবাদ করতেন। এতে রবিনের ওপর ক্ষিপ্ত হন অভিযুক্তরা। এরই জেরে রবিনকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছ।
ওসি নূরে আলম সিদ্দিকী আরো বলেন, হত্যা মামলার আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। আশা করছি শিগগিরই তাদের গ্রেফতার করতে পারবো।