এ সময় পাখি বিক্রেতা আনিছুর রহমানকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে নাটোর সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জোবায়ের হাবিব তাকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
অভিযুক্ত আনিছুর রহমান আহম্মেদপুর চর তেবাড়িয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে।
.png)
রাজশাহী বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাটোর শহরের আহম্মেদপুর চর তেবাড়িয়া এলাকায় ক্রেতা সেজে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে ২টি কালিন, ১৪টি পাতি সরালি, ১টি ময়না ও ১টি টিয়াসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৩০টি দেশি ও অতিথি পাখি উদ্ধার করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) এসআই আলী আগবর, বন বিভাগের কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম, রাবি শাখার ডিপ ইকোলজি অ্যান্ড রেসকিউ ফাউন্ডেশনের সদস্য নাজমুল হোসেন রাসেল, মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশনের (বিবিসিএফ) দফতর সম্পাদক ফজলে রাব্বী ও পরিবেশকর্মী রাকিব হোসেন প্রমুখ।