বুধবার দুপুরে ট্রাইব্যুনালের বিচারক খালেদা ইয়াসমিন আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর হোসেন গোপালপুর উপজেলার ঘুটিয়া গ্রামের আবু হানিফের ছেলে।
টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট আলী আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ভুক্তভোগী একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ২০০৮ সালের ৭ সেপ্টেম্বর সকালে অন্যান্য দিনের মতো সে স্কুলে যায়। সেখান থেকে তাকে অপহরণ করে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আলমগীর হোসেন তার মামার বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরদিন ৮ সেপ্টেম্বর ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে গোপালপুর থানায় মামলা করেন। ২০০৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর গোপালপুর থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাজাম্মেল হক একমাত্র আসামি আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী/০৩) এর ৭ ধারা এবং ৯ (১) ধারায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। ঐ দুইটি ধারায় আলাদাভাবে আসামিকে যাবজ্জীবন সাজা দেন আদালত। তবে উভয় অপরাধের সাজা একত্রে চলবে বলে বিচারক তার রায়ে উল্লেখ করেন।
.png)
উল্লেখ্য, আসামি হাজতবাসের পর জামিনে মুক্তি পেয়ে পালিয়ে যান। পরে আদালত আসামির অনুপস্থিতিতেই এ রায় ঘোষণা করেন।