নাজমিন বেগম জানান, ৭ বছর আগে পিরোজপুরের হুলারহাট এলাকার মৃত সোবাহানের ছেলে রিকশাচালক ইউনুচ হাওলাদারের সঙ্গে বিয়ে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তার আগের স্ত্রী থাকার বিষয়টি গোপন করে নাজমিনকে বিয়ে করলেও স্বামীর বাড়িতে কোনমতে মাসখানেক স্থান হয়েছিলো তার। ওই সংসারে তার স্ত্রী ও ৩ সন্তান থাকায় অভাব আর অশান্তির কারণে নিরুপায় হয়ে বাবার বাড়িতেই চলে আসেন তিনি। ৪ বছর বয়সী লিমা নামের একটি মেয়েও রয়েছে নাজমিনের।
রিকশাচালক স্বামী ইউনুচ মাঝে মাঝে এখানে আসলেও সঠিকভাবে ভরণ পোষণ তেমন একটা দেন না। এরমধ্যে গত সোমবার নাজমিনের কোলজুড়ে ৩টি ছেলে সন্তানের জন্ম নেয়। তাদের নাম রাখা হয়েছে খলিলউল্লাহ, ইমাম হোসেন ও আব্দুর রহমান।
.png)
নাজমিন জানান, অর্থাভাবে ক্লিনিক বা হাসপাতালেও যেতে পারেননি তিনি। বাড়িতেই স্বাভাবিকভাবেই ৩ টি ছেলে সন্তানের জন্ম দিলেও তাদের মুখে দুধ তুলে দেয়া আর লালন পালনের চিন্তায় তাড়া করছেন তাকে। দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে এজন্য তিনি সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন।
নাজমিনের বাবা হারুন জোমাদ্দার জানান, দুর্ঘটনায় হাত ও পা ভেঙে অচল অবস্থায় মানুষের কাছে হাত পেতে পরিবারের লোকজন নিয়ে কোনোমতে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি। এরমধ্যে নাজমিনের ৩টি সন্তান হওয়ায় তাদের খরচ বহন করার সার্মথ্য তার নেই।
এ বিষয়ে ইউএনও নুসরাত জাহান খান জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আর্থিকসহ সার্বিক সহায়তা করা হবে।