রামগঞ্জ ইউপির সুপারি ব্যবসায়ী মো. ইউসুফ ও নূরে আলম বলেন, এ বছর গাছে সুপারি কম ধরেছে। বাজারে সুপারি কম হওয়ায় দাম আর চাহিদা অনেকটা বেশি। প্রতি বছরের এ সময়ে গ্রামগঞ্জের হাট-বাজার থেকে সুপারি কিনে উপজেলা সদরের আড়তদারদের কাছে বিক্রি করি।
পৌরশহরের আড়তদার হাজী মো. মনির মিঝি বলেন, লালমোহন থেকে সুপারি নিয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বড় বড় ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করছি। তারা আবার এসব সুপারি প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশেও রফতানি করছেন।
.png)

সুপারি বাগানের মালিক মো. বাবুল মিয়া, মো. বশির উল্যাহ ও আব্দুল বারেক জানান, এ অঞ্চলের অধিকাংশ বাড়িতে সুপারির বাগান রয়েছে। কোনো পরিশ্রম ছাড়াই গাছে সুপারি হয়। প্রতি বছর এ সুপারি বিক্রির মাধ্যমে গড়ে ৫০ হাজার থেকে এক লাখ টাকা পর্যন্ত বাড়তি আয় হচ্ছে।
লালমোহন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রব মোল্লা বলেন, উপজেলায় এক হাজার ১৩৫ হেক্টর জমিতে সুপারির বাগান রয়েছে। সুপারি চাষে তেমন পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় না। একবার ভালো করে চারা লাগালে কয়েক বছর পর থেকেই গাছে সুপারি ধরতে থাকে। এতে প্রতিবছর সুপারির একেকজন মালিক তাদের বাগান থেকে বাড়তি আয়ের সুযোগ পান। বর্তমানে দিন দিন সুপারির চাহিদাও বাড়ছে। নতুন করে কেউ সুপারি চাষে আগ্রহী হলে তাদের কৃষি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হবে।