বুধবার সকালে উপজেলার বাকরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটলেও দুপুরে হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। নিহত হাসান একই গ্রামের জজ মিয়ার ছেলে। তিনি পেশায় অটোচালক ছিলেন।
স্থানীয়রা জানায়, সকালে একটি অটোরিকশায় করে রেলস্টেশন এলাকায় যান কয়েকজন যাত্রী। পরে অটোরিকশার টোল আদায় নিয়ে বিরামপুর গ্রামের এক চালককে মারধর করেন। খবরটি ছড়িয়ে পড়লে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ। দুপুর ১২টার দিকে শুরু হয় দফায় দফায় সংঘর্ষ। এ সময় ১৫টি দোকানপাট, কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষে মোহনগঞ্জ থানার চার পুলিশ সদস্যসহ ৫০ জন আহত হন। এর মধ্যে হাসানকে হাসপাতালে নেয়ার পথে মারা যান।
.png)
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হারুন অর রশীদ বলেন, সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।