শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সদরের ভাটকান্দি এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত ঝন্টু ওই এলাকার আফজাল হোসেনের ছেলে। আটক আয়নাল একই এলাকার বাসিন্দা।
জানা গেছে, সকালের নাস্তা করার জন্য ভাটকান্দি এলাকায় একটি খাবারের হোটেলে যান ঝন্টু। পরে সেখানে হামলা চালিয়ে তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায় তার প্রতিপক্ষ। খবর পেয়ে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
বগুড়া শহরের নারুলী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মাহমুদ ইসলাম জানান, ঝন্টুকে কুপিয়ে পালানোর সময় আয়নাল নামে এক যুবককে আটক করে মারধর করেছে স্থানীয়রা। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে শজিমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়। এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হামলাকারী ৩-৪ জন ছিলেন।
জেলা পুলিশের ডিবি এসআই জাহাঙ্গীর কবির জানান, খাবারের হোটেলের ভেতরেই ঝন্টুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এখনো ঘটনাস্থলে আছি। খুনের বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে।
বগুড়া সদর থানার ওসি মো. সেলিম রেজা বলেন, লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। স্থানীয়রা এক যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। তবে তাকে আহত অবস্থায় আমরা পেয়েছি। পুলিশ হেফাজতে শজিমেক হাসাপাতালে তার চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।