বৃহস্পতিবার দুপুরে সঞ্জয়ের ঘরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান ঐ তরুণী। ঐ সময় স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করেন।
তরুণীর দাবি, সঞ্জয়ের সঙ্গে ১০ নভেম্বর সামাজিকভাবে বিয়ের চুক্তিপত্র হয়। কিন্তু সে অনুযায়ী সঞ্জয় কিছুই করেনি। উপরন্তু সঞ্জয় তার সঙ্গে কথা বলাও বন্ধ করে দিয়েছে। এ কারণে বুধবার রাতে ঐ ঘরে এসে অনশন শুরু করেন। আজ আত্মহত্যার চেষ্টা চালান।
.png)
তিনি আরো দাবি করেন, ফেসবুকে তাদের পরিচয় হয়। এরপর মেসেঞ্জারে চলতে থাকে বার্তা বিনিময়। সেখান থেকে প্রেম। ছয় মাস আগে প্রেমিক তার প্রেমিকার উপজেলায় যান এবং একটি মন্দিরে গিয়ে শাখা-সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করেন।
গত ১৯ অক্টোবর স্ত্রীর দাবিতে সঞ্জয়ের বাড়িতে গিয়ে ঐ তরুণী অনশন করেন। পরে রেজিস্ট্রি বিয়ের জন্য সঞ্জয়ের কাছে প্রস্তাব করে স্থানীয়রা। প্রস্তাবে রাজি হয়ে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে বিয়ের হলফনামা চুক্তিপত্রে স্বাক্ষরও করেন সঞ্জয়। চুক্তিপত্র অনুযায়ী বিয়ের দিন ধার্য ছিল গত ১০ নভেম্বর। সাক্ষী হিসেবে স্থানীয় ১৫ ব্যক্তি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করে। এরপর সঞ্জয়ের বাড়ি থেকে চলে আসেন ঐ তরুণী।
ঐ বাড়ি থেকে চলে যাওয়ার পর সঞ্জয় যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। এ কারণে সঞ্জয়ের বাড়িতে এসে অনশন শুরু করেন তিনি। এ সময় এক সপ্তাহের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘরে তুলে নেয়ার আশ্বাস দেয় সঞ্জয়ের পরিবার। সেই আশ্বাস পেয়ে পুনরায় বাড়ি ফিরে যান। কিন্তু এক সপ্তাহ পার হলেও সঞ্জয়ের পরিবার কোনো যোগাযোগ না করায় বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সঞ্জয়ের বাড়িতে অনশন শুরু করেন এবং আজ দুপুরে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি আফজাল হোসেন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। আত্মহত্যা চেষ্টা চালানো তরুণীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করেছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।