রোববার দুপুর ২টার দিকে জেলা স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক এএনএম মোর্শেদ খান এ রায় ঘোষণা করেন। তবে আসামি পলাতক রয়েছেন।
দণ্ডিত ৪২ বছর বয়সী মঈন উদ্দিন জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের অন্ততপুর গ্রামের কাজী বাড়ির গোলাপ রহমানের ছেলে। তার স্ত্রীর নাম বিবি ফাতেমা পলি।
.png)
আদালতের স্টেনোগ্রাফার চন্দন কুমার মজুমদার বলেন, একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতেন পলি। বাড়ি ফেরার পথে তাকে ধর্ষণচেষ্টা করেন স্থানীয় কিছু বখাটে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি। মামলা থেকে রেহাই পেতে পলিকে বিয়ে করেন মঈন উদ্দিন। বিয়ের পর মাত্র একদিন স্বামীর বাড়িতে ছিলেন তিনি। বাসা ভাড়া নেয়ার কথা বলে ২০০৫ সালের ৩১ আগস্ট পলিকে হত্যার পর মরদেহ ড্রেনে ফেলে দেন মঈন উদ্দিন। মেয়ে বাড়িতে না ফেরায় থানায় জিডি করেন ফাতেমার বাবা ইব্রাহিম মিয়া। একই বছরের ২ নভেম্বর মেয়ের মরদেহ ভেসে উঠেছে বলে জানতে পারেন পলির বাবা। এ ঘটনায় পরদিন মঈন উদ্দিনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন তিনি। দীর্ঘ শুনানি শেষে মঈন উদ্দিনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।