ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

মিতু হত্যা: পলাতক দুই আসামি হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির আদেশ

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:২১, ৩০ নভেম্বর ২০২২
মিতু হত্যা: পলাতক দুই আসামি হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির আদেশ
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

সাবেক এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় পলাতক দুই আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম মোহাম্মদ আবদুল হালিমের আদালত এ আদেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নগর পুলিশের এডিসি (প্রসিকিউশন) মো. কামরুল হাসান। পলাতক দুই আসামি হলেন- মো. কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা ও মো. খাইরুল ইসলাম ওরফে কালু।

এডিসি মো. কামরুল হাসান বলেন, মামলার পলাতক দুই আসামি কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা ও খাইরুল ইসলাম ওরফে কালুর ঠিকানায় গিয়ে তাদের পায়নি পুলিশ। মামলা শুরু করার আগে দুই আসামিকে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

Advertisement

এর আগে, ১৩ সেপ্টেম্বর মিতু হত্যা মামলায় বাবুল আক্তারসহ সাতজনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ১০ অক্টোবর সেটি গ্রহণ করেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার পলাতক আসামি মো. কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা ও মো. খাইরুল ইসলাম ওরফে কালুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে নগরের জিইসি মোড়ের কাছে ওআর নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে গুলি ও ছুরিকাঘাতে নির্মমভাবে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ঐ ঘটনায় পাঁচলাইশ থানায় হত্যা মামলা করেন তার স্বামী তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তার। মামলাটি তদন্ত করছিল নগর ডিবি পুলিশ। পরে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে ‘আদালতের নির্দেশে’ মামলার তদন্তভার পায় পিবিআই।

এরপরই ঘুরতে থাকে মামলার গতিপ্রকৃতি। পিবিআইয়ের তদন্তে উঠে আসতে থাকে স্ত্রী হত্যার সঙ্গে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততার নানা দিক। গত বছরের ১০ মে মামলার বাদি হিসেবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাবুল আক্তারকে পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রো কার্যালয়ে ডেকে আনা হয়। এরপরই তাকে হেফাজতে নেয় পিবিআই। পরে ১২ মে দুপুরে বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় আটজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা, এহতেসামুল হক ভোলা, মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম, আনোয়ার হোসেন, খায়রুল ইসলাম কালু, সাইদুল ইসলাম সিকদার ওরফে সাক্কু ও শাহজাহান মিয়া।

২০২১ সালের ১৪ অক্টোবর বাবুলের করা মামলায় পিবিআইয়ের চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি আবেদন করেন তার আইনজীবী। একই বছরের ৩ নভেম্বর চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি গ্রহণ না করে পিবিআইকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। পরে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি নিজের করা মামলায়ও বাবুলকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন আদালত। গত ৬ মার্চ মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেনের করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দেওয়া হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: চট্টগ্রাম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!