সোমবার দুপুর ২টার দিকে দিনাজপুরের পুলিশ সুপার শাহ ইফতেখার আহমেদ প্রেস কনফারেন্সে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বলাৎকারকারী এবং হত্যাকারী শরীফুল ইসলাম খানসামা উপজেলার কায়েমপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে।
পুলিশ সুপার বলেন, গত ২ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী শিশুকে শরীফুল ইসলাম অপহরণ করেন। অপহরণের পর শরীফুল তাকে উপজেলার পাকেরহাট সংলগ্ন আরাজি যুগিরঘোপা অব্যবহৃত আব্দুস সালামের ভাড়া বাড়িতে আটকে রাখেন। এরপর শরীফুল ইসলাম ঐ শিশুকে বলাৎকার করেন। এ ঘটনা ভুক্তভোগী তার বাবা মাকে বলে দেবে বললে শরীফুল তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন। পরে হাত-পা বেঁধে লাশ বস্তাবন্দি করে ভাড়া বাড়ির উঠানে পুঁতে রাখেন।
.png)
তিনি আরো বলেন, ঐ শিশুর লাশ পুঁতে রেখে শরীফুল ভুক্তভোগীর বাবাকে এক লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে মোবাইল করেন। শরীফুলের চাহিদা মতো পাঁচ হাজার ৪০০ টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠানো হয়। ঐ সূত্র ধরে পুলিশ শরীফুলকে ৪ ডিসেম্বর গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শরীফুল ঐ শিশুকে অপহরণ বলাৎকার, হত্যা, লাশ পুঁতে রাখা এবং মুক্তিপণ দাবির কথা বর্ণনা করেন।
গ্রেফতারকৃত শরীফুলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ভুক্তভোগীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করা হয়। শরীফুল ইসলামকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।