সোমবার ভোরে নারায়ণগঞ্জ থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাবা-ছেলে হলেন– টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার অর্জুনা গ্রামের মজনু এবং তার ছেলে জহুরুল ইসলাম।
র্যাব-১৪, সিপিসি-৩ এর কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের বলেন, জহুরুল ২০১৬ সালের ২৩ নভেম্বর তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তারকে যমুনা নদীতে চুবিয়ে হত্যা করেন। এরপর লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেন। এ হত্যাকাণ্ড এবং লাশ গুমে জহুরুলকে তার বাবা মজনু সহায়তা করেন। এ ঘটনায় তাসলিমার বাবা বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় মামলা করেন।
.png)
পুলিশের কাছে গ্রেফতার হয়ে মজনু ও জহুরুল দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। এতে যৌতুক না দেওয়ায় তাসলিমাকে হত্যা করে বলে জানান। সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে ২০২০ সালের ৩১ আগস্ট টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তাদের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। তারা মামলা চলাকালে জামিন পেয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন।