পৌর শহরের তারাগন এলাকার মো. মিলন মিয়া বলেন, শীত আর কুয়াশা থাকায় ঠিক ভাবে তিনি কাজকর্ম করতে পারছেন না। শীত বাড়ায় তার চলাচলে কষ্ট হচ্ছে বলে জানায়।
কৃষক মো. বাছির মিয়া বলেন, চলতি মৌসুমের আমন ধান কাটা চলছে। কিন্ত শীত ও ঘন কুয়াশা থাকার কারণে জমিতে তার কাজে যেতে দেরি হচ্ছে। তাছাড়া রোদ কম থাকায় ধান শুকাতে পারছেন না।
.png)
অটোরিকসা চালক মো. ইব্রাহিম বলেন, প্রতিদিন রাত ১২টা পর্যন্ত রিকসা চালাই। কিন্ত গত কয়েকদিন ধরে শীত ও কুয়াশা থাকায় সন্ধ্যার পর পর অটো রিকশা নিয়ে বাড়িতে চলে আসেন। কারণ অটো রিকশা চালাতে গিয়ে প্রচন্ড ঠান্ডায় তার হাত পা শীতল হয়ে জড়ো হয়ে যায়।
সিএনজি চালক রফিক মিয়া বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে দিনের বেলা হেড লাইট জ্বালিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। কুয়াশার কারণে কিছু দেখা যায় না । গাড়ি চালাতে ভয় করে। তাছাড়া কুয়াশার কারণে লোক চলাচল কমে যাওয়ায় তাদের আয় ও কমেছে বলে জানায়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বলেন, এ উপজেলায় দিন দিন শীত বাড়ছে। কয়েক দিনের মধ্যে আরো শীত বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মো. হিমেল খান বলেন, গত কয়েক দিন ধরে শীত বাড়ছে। তবে শীত বৃদ্ধি পাওয়ায় রোগ বালায়ের প্রকোপ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন হাসপাতালে নিউমোনিয়া, জ্বর, সর্দি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হওয়া নানা বয়সী রোগীরা চিকিৎসা নিচ্ছেন। আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা প্রদানের ক্ষেত্রে কোনো গাফিলতি নেই।