কুয়াশার কারণে অনেকেই প্রয়োজন ছাড়া বের হচ্ছেন না ঘর থেকে। তবে নিম্ন আয়ের মানুষেরা গায়ে মোটা পোশাক পরে বের হয়েছেন বাহিরে। তবে ভোরের দিকে তাপমাত্রা অনেকটাই কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে কিছুটা তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার জেলা শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তবে কিছুটা ভিন্ন চিত্র জেলার সীমান্তবর্তী দুই উপজেলা কলমাকান্দা ও দুর্গাপুরে। পাহাড়ে ঘেরা এই অঞ্চলগুলোতে তাপমাত্রা অনেকটাই নিচে নেমেছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চল গুলোতে তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস নেমেছে।
.png)
শীতের তীব্রতা বাড়ায় দরিদ্র মানুষগুলো পড়েছে বিপাকে। অনেকেই পুরতন কাঁথা বালিশ গায়ে পেচিয়ে নিবারণ করছেন শীত। এমন অবস্থায় সরকারি ও বেসরকারিভাবে শীতবস্ত্র পাওয়ার আশায় দিন কাটছে তাদের।
এই দিকে শীতের তীব্রতা বাড়ায় রাতে ঘুরে ঘুরে এই শীতবস্ত্র বিতরণ করছেন জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিট্রেট জনাব অঞ্জনা খান মজলিস। জেলা শহরের বড় স্টেশন এলাকাসহ বেরিবাধ এলাকায় অসহায়দের মাঝে তিনি কম্বল বিতরণ করেন।
জেলা শহরের বাসিন্দা আব্দুল আলী জানান, শীত পড়লেও আমাদের কিছু করার নেই। একদিন ঘর থেকে বের না হলে খাবার জোটে না। তাই জীবিকার তাকিদে প্রতিদিনই কাজ করতে হয়। তাই বাহিরে শীত থাকলেও আমরা অনেকটাই অসহায়।
নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খানা মজলিস জানান, জেলায় এখন পর্যন্ত ৪৪ হাজার ৬০০ কম্বল দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরো দেয়া হবে। জেলার পৌর সভা সহ ১০ উপজেলার ৮৬ টি ইউনিয়নেই কম্বল পাঠানো হয়েছে। খুব দ্রুতই জনপ্রতিনিধিরা এসকল কম্বল পৌঁছে দিবে ভুক্তভোগীদের হাতে। এছাড়াও আমরা জেলা শহরে ভাসমান শীতার্তদের কষ্ট লাঘব করতেই তাদের মাঝে উন্নতমানের কম্বল বিতরণ করেছি। শহরের সাতপাই বড় স্টেশন ও রাজুরবাজার বাঁধ এলাকায় সহ বিভিন্ন এলাকায় আমরা ঘুরে ঘুরে কমল বিতরণ করেছি। আমাদের এই শীত বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম চলমান থাকবে।