এদিন সকাল ৯টায় ৯ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহায়া অফিস। এ জেলার কোথাও কোথাও বৃষ্টির মতো ঝরছে কুয়াশা। হেডলাইট জ্বালিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করেছে যানবাহন।
জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। সোমবার রাত থেকে মৃদু বাতাস বইছে। দুদিন ধরে সূর্যের দেখা মেলেনি। বৃহস্পতিবার সামান্য দেখা মিললেও শুক্রবার বেলা ১১টা পর্যন্ত মেলেনি সূর্যের দেখা।
.png)
অটোচালক শহরের মিনারুল বলেন, বাতাসের কারণে অটোরিকশা চালাতে খুব কষ্ট হচ্ছে। যাত্রী খুবই কম। প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে লোকজনের দেখা মিলছে না।
শহরের বড় বাজারে কাজের সন্ধানে থাকা দিনমজুররা বলেন, কনকনে শীত পড়ছে। সঙ্গে বাতাসে শীতের তীব্রতা আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। এরপরও থেমে নেই কাজ। বাধ্য হয়েই কর্মস্থলে যেতে হচ্ছে।
আলমডাঙ্গা উপজেলার খাসকররা গ্রামের কয়েকজন কৃষক বলেন, ভোরে কৃষি কাজের জন্য মাঠে এসেছি। ঠান্ডায় হাত চলছে না। বাতাসের বেগ হওয়ায় আরো কাঁপিয়ে দিচ্ছে। রোদ হলে কাজ করতে কোনো অসুবিধা হতো না।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রকিবুল হাসান বলেন, শুক্রবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা সারাদেশের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। বাতাসের আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯৮ শতাংশ। শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। যা শনিবার পর্যন্ত থাকতে পারে।