পলাশ উপজেলার সবচেয়ে বড় ফুটপাত ঘোড়াশাল বউ বাজার ঘুরে দেখা যায়, আর্থিকভাবে সচ্ছল ক্রেতারা যেমন আসছেন তেমনি স্বল্প আয়ের মানুষেরাও অল্প দামে শীতবস্ত্র কিনতে ফুটপাতের এসব ভ্রাম্যমাণ দোকানে ভিড় করছেন। তবে এখানে পুরুষ ক্রেতার চেয়ে মহিলা ক্রেতাই বেশি দেখা গেছে। এখানে চাদর, জ্যাকেট, সোয়েটার, কম্বল, মোটা কাপড়ের গেঞ্জি, হুডি, মাফলার, হাতমোজা, কানটুপিসহ সব ধরনের শীতবস্ত্রের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা।
শীতবস্ত্র কিনতে আসা সবিকুল ইসলাম জানান, গত এক সপ্তাহ ধরে হাড় কাঁপানো শীত অনুভূত হচ্ছে। তাই স্ত্রী সন্তান নিয়ে ফুটপাতের শীতবস্ত্রের দোকানে এসেছি কাপড় কিনতে। এখানে আমাদের মতো নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সব ধরনের শীতবস্ত্র পাওয়া যায়।
.png)
সোনিয়া নামে আরেক নারী ক্রেতা জানান, এখানে এসে অনেক দোকান ঘুরে দেখলাম আর কিছু শীতবস্ত্র কিনলাম। আমাদের মতো মধ্যবিত্তের মানুষের জন্য এ বাজার খুবই ভালো। হাতের নাগালেই সব কিছু সস্তা দামে পাওয়া যায়।
বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ফুটপাতে বিভিন্ন ধরনের শাল ও চাদরের দাম ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, সোয়োটার ২৫০ থেকে ৫৫০ টাকা, কাপড়ের জুতা ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, জ্যাকেট ৫০০ থেকে ৮৫০ টাকা, পায়জামা ১২০ থেকে ৩৫০ টাকা, টুপিওয়ালা গেঞ্জি ১৩০ থেকে ২২০ টাকা, টুপি ১০০ থেকে ২২০ টাকা, মাফলার পাওয়া যায় ১০০ থেকে ২২০ টাকার মধ্যে, কম্বল ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, বিদেশি কম্বল ২০০০ থেকে ৩৫০০ টাকা।
শীতবস্ত্র বিক্রেতারা জানান, সব শ্রেণির ক্রেতাদের জন্য বিভিন্ন মানের শীতবস্ত্র আমরা সংগ্রহ করেছি। বাহারি আলোকসজ্জায় সজ্জিত দোকানগুলোতে অনেক ক্রেতা শীতবস্ত্র কিনতে পারেনি বলে ভিড় জমাচ্ছেন ফুটপাতের দোকানগুলোতে। আর তুলনামূলক দাম কম হওয়ায় ফুটপাত থেকেই পোশাক কিনছেন ক্রেতারা।
ঘোড়াশাল বাজারের বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম জানান, শুক্র ও সোমবার এই দুইদিন এ বাজারের হাটবার থাকায় এখানে প্রায় ৪০০ ভাসমান দোকান ফুটপাতে বসে। ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সুবিধার জন্য আমরা এ দুইদিন বাজার কমিটির লোকজন সারাক্ষণ মনিটরিং করে থাকি। আমরা আশাবাদী যে, এ বছর ভালো ব্যবসা হবে।