রোববার চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর বিচারক ফেরদৌস আরা এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত শাহজাহান উপজেলার জোরারগঞ্জ থানার কাটাছড়া ইউনিয়নের মুরাদপুর এলাকার শাহ আলমের ছেলে।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এর পিপি খন্দকার আরিফুল আলম বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার সময় আসামি উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠান আদালত।
.png)
খন্দকার আরিফুল আলম আরো বলেন, ধর্ষণের ফলে জন্ম নেয়া শিশুর সব ব্যয়ভার বহন করবে রাষ্ট্র। আসামির সম্পত্তি থেকে এ ব্যয়ভার বহন করা হবে। এরই মধ্যে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে সে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আসামি শাহজাহান শিশুটির বাবা হিসেবে সমাজে পরিচিত হবেন।
২০১৬ সালের ১৫ মে চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৭ এ নালিশি মামলা করেন ভুক্তভোগী কিশোরীর মা। মামলাটি আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। আসামি ধর্ষণের শিকার নারীর শিশুর পিতৃত্ব অস্বীকার করেন। বাদীর বিশেষ আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিএনএ পরীক্ষা করলে শিশুটি তার বলে প্রমাণিত হয়। পরে ২০১৮ সালের ২৪ অক্টোবর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রোববার রায় ঘোষণা করেন আদালত।