ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

‘মাইয়াডার লাশটা খুঁইজা দ্যান, শুধু একবার দেকমু’

পটুয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১২:০৩, ১২ জানুয়ারি ২০২৩
‘মাইয়াডার লাশটা খুঁইজা দ্যান, শুধু একবার দেকমু’
নিখোঁজ শিশু লামিয়া আক্তার

১২ বছর বয়সী লামিয়া আক্তার। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় তাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করেন অটোচালক আল-আমিন। তবে গুম করতে বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় লামিয়া মরদেহ। এরপর থেকেই পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা মরদেহ উদ্ধারে ওই নদীতে অভিযান চালিয়ে আসছেন। কিন্তু পাঁচ দিনেও মেলেনি লামিয়ার মরদেহ।

ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা গত সোমবার থেকেবুধবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে অভিযান চালালেও মরদেহের সন্ধান পাননি।

লামিয়ার বাবা আবু তালেব মৃধা বলেন,‘হামনেরা মোর মাইয়াডার লাশটা খুঁইজা আইন্যা দ্যান। ‘মুই মোর মাইয়াডার লাশটা চাই। মুই মোর মাইয়াডারে শুধু একবার দেকমু।’

Advertisement

রাঙ্গাবালী থানার ওসি নুরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিরা মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু কোথাও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। একদিকে বিশাল বুড়াগৌরাঙ্গ নদী, আবার কিছুদূর পরই বঙ্গোপসাগর। জানি না নদীর জোয়ার-ভাটায় লাশ সাগরে চলে গেছে কিনা? তবে মরদেহ উদ্ধার করতে আপ্রাণ চেষ্টা করছে পুলিশ। এ ব্যাপারে জেলে ও ট্রলার মাঝিসহ সবাইকে এ ব্যাপারে জানিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় লামিয়াকে ধর্ষণ শেষে শ্বাসরোধে হত্যা করে এলাকার অটোরিকশা চালক মো. আল-আমিন। রোববার তাকে গ্রেফতারের পরদিন গলাচিপার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় আল-আমিন। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসআরএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!