গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ঈশ্বরদী উপজেলার শৈলপাড়া মহল্লার নুর উদ্দিনের ছেলে আনোয়ার হোসেন, একই মহল্লার কাঠমিস্ত্রি আকরাম হোসেনের ছেলে ইব্রাহিম এবং একই মহল্লার শহিদুল ইসলামের ছেলে সাকিবুর ইসলাম সাকিব।
শনিবার দুপুরে পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয় চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আকবর আলী মুন্সী এ তথ্য জানান। তিনি জানান, গত ৪ জানুয়ারি ঈশ্বরদীর পশ্চিম টেংরি এলাকায় ইঞ্জিনচালিত ভটভটি ও পিকআপের সংঘর্ষে পিকআপের সামনের গ্লাস ভেঙে যায়। এর ক্ষতিপূরণ আদায় করা নিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে আনোয়ারের শ্যালক সুজনের কথা কাটাকাটি হয়। সুজন ফোনে তার দুলাভাই আনোয়ার উদ্দিনকে জানালে তিনি তার লোকজন নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় আনোয়ারের গুলিতে রিকশাচালক মামুন নিহত হন। গত ৫ জানুয়ারি নিহত মামুনের মা লিপি আক্তার বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
.png)
মামলায় কামাল হোসেন এবং তার ভাই আনোয়ার হোসেনসহ চারজনকে নামীয় আসামি করা হয়। এছাড়া তিন থেকে চারজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার বলেন, মামলা দায়েরের তিনদিনের মধ্যে ঈশ্বরদীর আরামবাড়িয়া থেকে আনোয়ার, পাকশী থেকে ইব্রাহিম ও রাজশাহীর চারঘাট থেকে সাকিবকে গ্রেফতার করে পুলিশ। উদ্ধার করা হয় হত্যায় ব্যবহৃত পিস্তল ও তিন রাউন্ড গুলি। গ্রেফতারকৃত আনোয়ারের বিরুদ্ধে ঈশ্বরদী থানায় চুরি, মাদক ও মারামারির চারটি মামলা রয়েছে। এছাড়া গ্রেফতারকৃত ইব্রাহিম হত্যায় নিজের দোষ স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।