স্থানীয়রা জানায়, বুধবার ভোরে বাজারের রেলওয়ে মার্কেটে হঠাৎ করে আগুন জ্বলতে দেখে স্থানীয় লোকজন। এ সময় আগুন নিয়ন্ত্রণে ছুটে এলে আগুন দ্রুত পুরো মার্কেটে ছড়িয়ে পড়ে। পরে চৌমুহনী, মাইজদী, কবিরহাট, কোম্পানীগঞ্জ ও সোনাইমুড়ী ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিন্তু এর আগে আগুনে মার্কেটের থাকা ক্রোকারিজ দোকান ১৫টি, খাবার হোটেল ,আবাসিক হোটেলসহ অন্তত ৩০টি দোকান পুড়ে যায়। এতে দোকানগুলোতে থাকা মূল্যবান মালামাল ও টাকা পুড়ে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্তদের।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রেলওয়ে মার্কেটের একটি জেনারেটর দোকানে থেকে আগুন লাগে। পরে আগুন চারদিকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সকাল সোয়া ৭টা পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। জেনারেটরের শর্ট-সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নোয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র বলেন, ভোর সোয়া ৫টার দিকে চৌমুহনী রেলওয়ে মার্কেটে আগুন লাগে। খবর পেয়ে চৌমুহনী ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা শুরু করে। পরে জেলা সদর মাইজদী, সোনাইমুড়ী, কোম্পানীগঞ্জ ও থেকে আরো পাঁচটি ইউনিট যোগ দেয়। প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের সাতটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
.png)