সেবাগ্রহীতারা ২০টি সেবা অতি সহজে অনলাইনের মাধ্যমে গ্রহণ করতে পাচ্ছেন। দুর্ভোগ ছাড়া সেবা পাওয়ায় খুশি জনসাধারণ। অনলাইনের মাধ্যমে দ্রুত সময়ে নগদ ক্যাশ ছাড়াই মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সেবা দিতে পারায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তারা।
ডিজিটাল লেনদেনের এ সেবার উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করেন তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহাগ চন্দ্র সাহা। আর এ কার্যক্রমের উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছেন পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম।
.png)
ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের একজন উদ্যোক্তা বলেন, গত ১৯-২০ অর্থবছরে পরীক্ষামূলকভাবে তেতুঁলিয়া উপজেলায় অনলাইন সেবা চালু করা হলেও চলতি বছরের ৬ জানুয়ারি ক্যাশলেস সেবার উদ্বোধনের মাধ্যেমে প্রথমে তেতুঁলিয়া উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নে সেবাটির কার্যক্রম শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সাতটি ইউনিয়নসহ পঞ্চগড়ের ৪৩টি ইউনিয়ন ও তিনটি পৌরসভায় যুক্ত হয়েছে ক্যাশলেস সেবা।
তিরনইহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসেন বলেন, একসময় ইউনিয়ন পরিষদে এনালগ পদ্ধতিতে সেবা প্রদান করার ফলে সেবা গ্রহীতাদের সময় অপচয়ের পাশাপাশি খরচ বৃদ্ধির মাধ্যমে হয়রানির শিকার হতেন। এখন থেকে সেবা গ্রহীতারা ডিজিটাল লেনদেনে ক্যাশলেসের মাধ্যমে ঘরে বসে সেবা পাচ্ছেন।
তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন, এ সেবার মাধ্যেমে সাধারণ মানুষের মাঝে কাঙ্খিত সেবা পৌঁছে দেওয়াই মূললক্ষ্য। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আশা করি ক্যাশলেস সেবাটি দ্রুতই সারা দেশে পৌঁছে যাবে।
পঞ্চগড় জেলার জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম বলেন, ডিজিটাল ইউনিয়ন ক্যাশলেস সেবা চালু করার পর ডিজিটাল পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে সেবার মূল্য পরিশোধ করার ফলে সরাসরি ইউনিয়ন পরিষদের ব্যাংক একাউন্টে রাজস্ব জমা হচ্ছে। ফলে ইউনিয়ন পরিষদের অর্থ তসরুপের কোনো সুযোগই থাকছে না। এখন পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে এ সেবা গ্রহণ করেছেন প্রায় ৫৫ হাজার সেবাগ্রহীতা।
ক্যাশলেসের সেবার মাধ্যেমে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আরো একধাপ এগুলো, বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।