পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে রৌমারী থেকে নৌকা রিজার্ভ করে ইয়াবা নিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ পাড়ি দিয়ে কুড়িগ্রাম আসছিলেন তিনি। কিন্তু পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কাছে সে খবর আগে থেকেই ছিল। ফলে ব্রহ্মপুত্র পাড়ি দিয়ে ঘাটে পৌঁছার আগেই গোয়েন্দা পুলিশের জালে ধরা পড়েন জাকির। সঙ্গে উদ্ধার হয় ১৯৭ ইয়াবা। শনিবার ওই ইউপি সদস্যকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আশিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
.png)
এর আগে শুক্রবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চিলমারী উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের ফকিরের হাট ঘাট থেকে ওই ইউপি সদস্যকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করা হয়।
জাকির হোসেন রৌমারীর দাঁতভাঙা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সদস্য। তার বাড়ি একই ইউনিয়নের সীমান্তঘেঁষা চর কাউয়ারচর (বাঘেরহাট) গ্রামে। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায় তারই সহযোগীকে গুমসহ হত্যার অভিযোগে মামলা রয়েছে। এছাড়াও সীমান্ত পথে মাদকসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এর সরবরাহের অভিযোগও রয়েছে। ভারতের আসাম হয়ে রৌমারীর ধর্মপুর সীমান্ত পথে মাদক চোরাচালানের যে নতুন রুট, তার অন্যতম প্রধান মাদক ব্যবসায়ী ইউপি সদস্য জাকির হোসেন।
দাঁতভাঙা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম জানান, জাকির দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবার ব্যবসা করেন। তার মাদক ব্যবসার কথা এলাকায় অনেকেই জানেন। তার বিরুদ্ধে মাদক চোরাচালান ও হত্যার অভিযোগে মামলাও রয়েছে।
ওসি আশিকুর রহমান জানান, গ্রেফতার জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দিয়ে শনিবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।