নাগরপুরে হাত মুখ বাঁধা কৃষকের মরদেহ উদ্ধার
টাঙ্গাইলে ফরিদ মিয়া নামের এক কৃষক খুন হয়েছেন। অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা শুক্রবার রাতে তাকে খুন করে মরদেহ ফেলে রেখে যায়। নাগরপুর উপজেলার সহবতপুর ইউপির বীর সলিল গ্রামে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। শনিবার সকালে হাত মুখ বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের তোরাফ আলীর ছেলে।
জানা যায়, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে নিহত ফরিদ তার বাড়ির পাশে জমিতে বিদ্যুৎ চালিত সেচ পাম্প বন্ধ করতে মেশিন ঘরে যায়। ওই রাতে তিনি আর বাড়ি ফিরেন না।
নিহত ফরিদের চাচাতো ভাই জাকির হোসেন বলেন, ফরিদের সঙ্গে রাত ১১ টার দিকে বাড়ির সামনে তার দেখা হয়। এ সময় ফরিদ তাকে জানায় সেচ পাম্প বন্ধ করে বাড়ি ফিরবে।
আরেক চাচাতো ভাই মধু মিয়া বলেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জমি দেখতে সেচ মেশিন ঘরের দিকে যায়। মেশিন ঘর বন্ধ থাকায় দরজার ফাঁক দিয়ে উঁকি মেরে দেখে, ফরিদের নিথর আংশিক দেহ চৌকির ওপর পড়ে আছে। পা নিচে ঝুলছে। পরে তার ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী ও স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে মেশিন ঘরের দরজা খুলে ফরিদের হাত ও মুখ বাঁধা মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন নাগরপুর থানার ওসি মো. সাজ্জাদ হোসেন।
ওসি জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। নিহতের গলায় মুখে ও হাতে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তিনি মাদক সেবী ছিলেন। মাদক নিয়ে খুন হতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত রির্পোট পেলে প্রকৃত রহস্য জানা যাবে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।