বুধবার দুপুরে ফরিদপুরের জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা পলাতক ছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ডেউখালি ইউনিয়নের আব্দুল বারেক মোল্যা ছেলে জাহাঙ্গীর মোল্যা এবং একই ইউনিয়নের রহিম মাতুব্বরের ছেলে চুন্ন মাতুব্বর।
জানা যায়, ২০০০ সালের ১৫ মে জাহাঙ্গীর মোল্যার সঙ্গে একই উপজেলার চরব্রাক্ষ্মণদী গ্রামের মুন্সি হারুন অর রশীদের মেয়ে রাশেদা বেগম রুসির বিয়ে হয়। তাদের রুহান নামে এক ছেলে রয়েছে। এ দিকে বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের দাবিতে রুসিকে মারপিট ও নির্যাতন করা হতো এবং প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই জাহাঙ্গীর আরেকটি বিয়ে করেন। এরপর স্বামী প্রথম স্ত্রী ও সন্তানের ভরণপোষণ না দেওয়ায় টিউশনি করে সংসার চালাতেন রাশেদা বেগম। ২০১২ সালের ১৩ জানুয়ারি পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে হত্যা করা হয়।
.png)
এ ঘটনায় নিহতের ভাই দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে সদরপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে নিযুক্ত নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট স্বপন কুমার পাল জানান, রাশেদাকে হত্যার পর ঘটনা আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তবে রাষ্ট্রপক্ষ হত্যাকাণ্ড সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত করতে পারায় আদালত সন্তুষ্ট হয়ে এ রায় দিয়েছেন।