ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অটোচালক হত্যায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৭:২০, ৬ মার্চ ২০২৩
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অটোচালক হত্যায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের এজলাসকক্ষ- ফাইল ফটো

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবায় সাইদুর রহমান নামে এক অটোরিকশা চালক হত্যা মামলায় মো. রানা মিয়া নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শারমিন নিগার এ রায় ঘোষণা করেন।

জানা যায়, ২০১৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে কসবা উপজেলা সদরের কাঞ্চনমুড়ি গ্রামের অটোরিকশা চালক সাইদুর রহমানকে মোবাইলে কল দিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান এক অজ্ঞাত ব্যক্তি। পরে সাইদুর তার মাকে জানান, তিনি পাশের গ্রামের একটি ওয়াজ মাহফিলে যাচ্ছেন। এই কথা বলার কিছুক্ষণ পর তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পান পরিবারের সদস্যরা। ঐ রাতে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা তাকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেন। কোনো সন্ধান না পেয়ে নিখোঁজ সাইদুরের মা হনুফা বেগম নিখোঁজের দুইদিন পর ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর কসবা থানায় একটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন।

Advertisement

পুলিশ জিডির সূত্র ধরে নিখোঁজ সাইদুরকে খুঁজতে থাকে। জিডির দুইদিন পর ২০২০ সালে ২ জানুয়ারি কসবার কাঞ্চনমমুড়ি ড্রেজার মাঠের মারকাজুল কুরআন ক্যাডেট মাদরাসার পরিত্যক্ত একটি বাথরুমের সেপটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে সাইদুরের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরের দিন ৩ জানুয়ারি পুলিশ জিডির অভিযোগটি হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণ করে। অনুসন্ধান করে পুলিশ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে একই এলাকার মো. দানু মিয়ার ছেলে মো. রানা মিয়াকে গ্রেফতার করে। পরে রানা মিয়া ১৬৪ ধারায় আদালতে হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি প্রদান করেন। জবানবন্দিতে রানা মিয়া জানান, একটি মোবাইল ফোন নিয়ে বিরোধের জের ধরে সাইদুর রহমানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে তথ্য প্রমাণ উপস্থাপন করেন। আদালত মামলাটি অধিকতর শুনানি শেষে সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আসামি মো. রানা মিয়ার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট দ্বীন ইসলাম জানান, এ রায়ের মধ্য দিয়ে সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এইচএন
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!