সোমবার দুপর ১২টার দিকে হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ড থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত তুলি জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদশা ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের রমজান আলীর মেয়ে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডে ঐ নারীকে সিনিয়র স্টাফ নার্সদের পোশাক পরে ডিউটি করতে দেখা যায়। সন্দেহ হওয়ায় হাসপাতালের অন্য নার্সরা পরিচয় জানতে চাইলে ঐ নারী উদ্ভট উত্তর দিতে থাকেন।
.png)
হাসপাতালের উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক মোছা. নাজমা খাতুন জানান, সকাল থেকেই স্টাফ নার্সদের পোশাক পরা অবস্থায় পুরুষ ওয়ার্ডে ডিউটি করছিলেন তুলি নামে ঐ মেয়েটি। সন্দেহ হওয়ায় তার পরিচয় জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সঠিক উত্তর দিতে পারেননি। কী কারণে এই পোশাক পরে কাজ করছিলেন সে বিষয়েও সঠিক উত্তর দিতে পারেননি।
নাজমা খাতুন আরো জানান, প্রায়ই হাসপাতালের রোগীদের মোবাইল ও ব্যাগ চুরি হয়। ধারণা করা হচ্ছে- নার্সদের ভুয়া পোশাক পরে ঐ নারী রোগীদের বেড থেকে মোবাইল ও টাকা চুরি করার উদ্দেশ্যে এসেছিলেন। এইভাবে হাসপাতালের ভেতরে এসে অন্যরা চুরি করে আর হাসপাতালে কর্মরত নার্স এবং স্টাফদের দুর্নাম হয়। পরে জয়পুরহাট সদর থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ঐ ভুয়া নার্সকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়।
সদর থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম জানান, জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালের উপসেবা তত্ত্বাবধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতে তুলি নামে এক নারীকে আটক করা হয়েছে। কী কারণে স্টাফ নার্সের পোশাক পরে হাসপাতালে ডিউটি করছিলেন- সে বিষয়ে জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।