এ ঘটনায় আহত সিদ্দিক খানকে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহত সিদ্দিক মাদারীপুর সদর উপজেলার রাজারচর গ্রামের লতিফ খানের ছেলে। তবে পুলিশ বলছে মামলা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার রাজারচর গ্রামের সিদ্দিক খান ব্যবসায়ীক কাজে মাদারীপুর শহরে আসছিলেন। আসার পথে শরীয়তপুর-মাদারীপুর আঞ্চলিক সড়কের মধ্যেরচক এলাকার ফাঁকা জায়গায় পেয়ে তাকে মারধর করে এবং টাকা ছিনতাই করে। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে ছিনতাইকারীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় উদ্ধার করে সিদ্দিককে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
.png)
আহত সিদ্দিক বলেন, আমি অটোরিকশায় করে মাদারীপুর শহরে আসছিলাম ব্যবসায়িক কাজে। এ সময় সর্বহারা পার্টির সক্রিয় সদস্য ঈমান ফরাজী, রাসেল ফরাজী ও লুৎফর ফরাজী আমাকে মারধর করে আমার কাছে থাকা আট লাখ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়। আমি এর বিচার চাই।
তিনি আরো জানান, অভিযুক্ত ঈমান ফরাজী নিষিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা পার্টির সক্রিয় সদস্য। তার বিরুদ্ধে মাদারীপুর সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবু সফর জানান, সিদ্দিক নামে একজন রোগী মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তার চিকিৎসা চলছে। এ ব্যাপারে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মাসুদ আলমের দাবি আহত ব্যক্তি একটি মামলা বাদী। মামলার বাদী এবং আসামিরা একই অটোরিকশায় ছিলেন। মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। আহত ব্যক্তি অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।