সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল গোলাবাড়ির মোড় এলাকা লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহত হাজেরা খাতুন একই এলাকার হবিবুল্লাহ’র স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, নিহত হাজেরা খাতুনের তিন ছেলে ও চার মেয়ের মধ্যে দুই মেয়ে বিদেশে থাকেন। এছাড়া অন্যরা ঢাকায় থাকেন। হাজেরা খাতুন মাঝে মাঝে ঢাকা থেকে এসে ঈশ্বরদীতে নিজ বাড়িতে একাই থাকতেন। সোমবার সকাল ১১টার দিকে তাকে বাগানে ঘুরতে দেখা গেছে। বিকেলের দিকে ঢাকা থেকে তার মেয়ে ফোন করে মাকে না পেয়ে মামা হব্বুল ও প্রতিবেশীদের জানান। প্রতিবেশীরা বাড়িতে ঢুকে শোবার ঘর তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখেন। তারা তালা ভেঙে ঘরে ঢুকে বিছানার ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় তার লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তারা পুলিশে খবর দেন।
.png)
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ঈশ্বরদী সার্কেল) বিপ্লব কুমার গোস্বামী জানান, ক্রাইম টিমকে খবর দেওয়া হয়েছে। কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। ঐ ঘরের আলমারি খোলা এবং কাপড়-চোপড় ছড়ানো-ছিটানো রয়েছে বলেও জানান তিনি।